মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা ও দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় এলএনজি সরবরাহ কমে যাওয়ায় স্পট মার্কেট থেকে বেশি দামে গ্যাস কিনতে বাধ্য হচ্ছে সরকার। আগামী আগস্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত পাঁচ মাসে প্রায় ৩০ কার্গো এলএনজি আমদানিতে ব্যয় হতে পারে ২০ হাজার কোটি টাকার বেশি।
দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে কাতার এনার্জি থেকে প্রতি ইউনিট এলএনজি প্রায় ১৩ দশমিক ৭২ ডলারে পাওয়া গেলেও প্রস্তাবিত স্পট দর ১৭ থেকে ১৯ ডলার। অর্থাৎ প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।
যুদ্ধের কারণে কাতার, ওমান ও কয়েকটি আন্তর্জাতিক সরবরাহকারী নির্ধারিত পরিমাণ এলএনজি দিতে পারছে না। ফলে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, বিদ্যুৎ উৎপাদন সচল রাখা এবং শিল্পকারখানায় জ্বালানি সংকট এড়াতে স্পট মার্কেটের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে।
তবে আশঙ্কা রয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময়ের জন্য এখনই বেশি দামে চুক্তি করলে সরকারের আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকি থাকবে।
